দেশের বৃহত্তর যৌন পল্লীতে কিশোরীদের  বিক্রি করা মামুন  পুলিশের হাতে আটক

দেশের বৃহত্তর যৌন পল্লীতে কিশোরীদের বিক্রি করা মামুন পুলিশের হাতে আটক

সাইফুর রহমান পারভেজ
(রাজবাড়ী) গোয়ালন্দ

উপজেলার দৌলতদিয়া যৌনপল্লী থেকে উদ্ধার হওয়া ১৪ কিশোরী মানব পাচার মামলার মূল হোতা আব্দুল আল মামুন আনন্দ (৩৪) কে রোববার বিকেলে চুয়াডাঙ্গা জেলার সদর থানাধীন কাঠপট্রি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সে চুয়াডাঙ্গা জেলার সদর থানার ফার্মপাড়া এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। এজহারের মাধ্যমে সোমবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ।

এজহার সূত্রে জানা যায়,যৌনপল্লীর এক খদ্দেরের কাছ থেকে ৯৯৯ ফোন পেয়ে গত মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল তায়াবীরের নের্তৃত্বে পুলিশের একটি টিম দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে অভিযান পরিচালনা করে যৌনপল্লীর নাজমা বেগমের বাড়ী থেকে ৩ জন কিশোরীকে উদ্ধার করে। পড়ে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই বাড়ীর একটি তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে মানব পাচারের শিকার আরও ১১ জন কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। পরে এ বিষয়ে উদ্ধারকৃত এক তরুণী বাদী হয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় মানব পাচার আইনে মামলা করেন। সেই মামলার ভিত্তিতে আনন্দকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর জানান, দৌলতদিয়া পতিতাপল্লী থেকে ১৪ কিশোরী উদ্ধার সংক্রান্ত মানব পাচার মামলায় আব্দুল আল মামুন আনন্দকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে রাজবাড়ীর জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *