মাগুরায় বাসদের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন

মাগুরায় বাসদের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন


স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ মাগুরা জেলা শাখার উদ্যোগে আজ ২ এপ্রিল ২০২১ সকাল ১১টায় শহরের পশ্চিম দোয়ারপাড়ে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয় । বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ কেন্দ্রীয় পাঠচক্র ফোরামের সদস্য প্রকৌশলী শম্পা বসুর সভাপতিত্বে সভায় আলোচনা করেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার আহ্বায়ক শফিউর রহমান । সভা পরিচালনা করেন বাসদ মাগুরা জেলা শাখার সংগঠক ভবতোষ বিশ্বাস জয় । আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট মাগুরা জেলা শাখার আহ্বায়ক কেয়া বিশ্বাস । সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অংশগ্রহণ করেন পূর্ণিমা মন্ডল, তনুশ্রী আইচ, ঋতু বিশ্বাস, তুলি আইচ, মো: ওবাইদুর রহমান অন্তু, কৌশিক বিশ্বাস কাব্য, মীর তৌফিক আরেফিন সাম্যসহ অন্যরা।

বক্তারা বলেন, সময়ের পরিক্রমায় স্বাধীনতার ৫০ বছর এসে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। স্বাধীনতার স্বপ্ন ছিল সাম্য, সামাজিক ন্যয়বিচার ও মানবিক মর্যাদার সমাজ প্রতিষ্ঠা; ধর্ম ভিত্তিক পাকিস্থান থেকে বেরিয়ে এসে আমরা চেয়েছিলাম অসাম্প্রদায়িক ও শোষণহীন বাংলাদেশ। কিন্তু স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত ক্ষমতাসীন শাসকগোষ্ঠী মুক্তিযুদ্ধের সমস্ত চেতনাকে ভূলুন্ঠিত করেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সকল মৌলিক ও মানবিক অধিকারকে পণ্যে পরিনত করেছে। বেকারত্ব, শ্রমিক ছাটাই, কৃষকের হাহাকার, ধর্ষণ-নিপীড়ন, পাহাড় সমান বৈষম্য আজ স্বাধীনতার গৌরবকে ম্লান করে দিয়েছে। সাম্প্রদায়িক শক্তির সাথে ক্ষমতাসীনদের আপোষ হিসেবে পাঠ্যপুস্তক সাম্প্রদায়িকীকরণ, সাম্প্রদায়িক হামলা ও ভাস্কর্য ভাঙ্গার বিষবাষ্প ছড়ানো হচ্ছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নামে জনগণের কণ্ঠরোধ ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা স্তব্ধ করা হয়েছে। লেখক, সাংবাদিক, কার্টুনিস্টদের গ্রেফতার করে কারাগারে খুন পর্যন্ত চলছে আইনের নামে । এভাবে বিগত ৫০ বছরে মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে দেশ পরিচালনা করেছে শাসক শ্রেণি। শাসকগোষ্ঠী ভুলিয়ে দিতে চায় স্বাধীনতার মৌল চেতনা। তার বিপরীতে আমরা বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে চাই স্বাধীনতার প্রকৃত শিক্ষা। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল যেমন একদিন লিখেছিলেন ‘মোরা আপনি মরে মরার দেশে আনবো বরাভয়’ সেই অক্ষয় বানীকে বুকে ধারণ করে পাকিস্তানীদের সামনে বুক চিতিয়ে বুলেট শুষে নিয়েছিল বাংলার দামাল ছেলেরা।
আলোচনা সভায় বক্তাগণ আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসুন আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে দাঁড়িয়ে নিজেদের গড়ে তুলি সেই সূর্য সন্তানদের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *