মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা ইউনিয়নের ফুলবাড়ি গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রভাব বিস্তার

মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা ইউনিয়নের ফুলবাড়ি গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রভাব বিস্তার

Magura

।। মাগুরা থেকে এইচ এন কামরুল ইসলাম।।

মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা ইউনিয়নের ফুলবাড়ি গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রভাব বিস্তার করা কে কেন্দ্র করে চলে আসছে সংঘর্ষ। সর্বশেষ গত ২২ মে ২০২১ইং শুক্রবার সকালে অতর্কিত ভাবে তুরাফ মৃধার কর্মী মোঃ ফজলুর রহমানের উপর হামলা করে। এতে তার শরীরের একটি হাত ভেঙে যায়। এরপর থেকে গ্রামে চলতে থাকে চরম অস্থিরতা, জনমনে আতংক তৈরি হয়। এর কয়েকদিন পর জিল্লুর রহমান এর পক্ষের মোঃ পলাশ এর উপর সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা করে তুরাফ গ্রুপের লোকজন।যানা যায় তুরাফ এর এলাকায় কিশোর গ্যাং রয়েছে যা দ্বারা সে নানা ধরনের অপকর্মে জড়িত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান তুরাফ মৃধা সরকারকে ফাকি দিয়ে সিঙ্গাপুর থেকে হুন্ডি ব্যবসা করে হয়েছেন কোটিপতি ফুলবাড়ি গ্রামের জনবসতি এলাকায় গড়ে তুলেছেন ইটের ভাটা রেজিস্ট্রেশন বিহীন এই ইট ভাটার কারণে মারাত্মক ভাবে পরিবেশ বিপর্যয় ঘটছে গ্রামটিতে। আমাদের অনুসন্ধানে জানতে পারি তিনি অবৈধ টাকার বলে সবাইকে ম্যানেজ করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে চলেছেন। তোরাপ মৃর্ধার বিরোধী মতের লোকের উপর মারাত্মকভাবে প্রভাব বিস্তারের কারণে গত একমাস ধরে ফুলবাড়ি গ্রামের পুরুষ মানুষ গুলো গ্রাম ছাড়া। এ অবস্থায় তারা আর কতদিন পথে পথে ঘুরবেন তা তাদের অজানা। তারা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন। এদিকে জিল্লুর রহমান এর কিছু লোকজন রয়েছে উচ্ছৃঙ্খল তারা বিভিন্ন সময়ে এলাকায় বিনা কারণে দাঙ্গা হাঙ্গামা করে থাকে। এ ব্যাপারে নহাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী মিয়ার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান এসমস্ত গন্ডগোলের মূলে রয়েছে ফুলবাড়ি গ্রামের সরকারি ও মালিকানা কিছু জায়গা নিয়ে গঠিত সৌধনালার খাল। এক খালে বছরের পর বছর ধরে মাছ চাষ ও লিজ দিয়াকে কেন্দ্র করে বহুৎ পুরনো সংঘাত প্রতিনিয়ত চলতে থাকে এবছর এই খাল দু’পক্ষই পৃথক দুই ব্যক্তির কাছে লিজ বিক্রিয় করে আর এই খাল লিজ বিক্রয় কে কেন্দ্র করে মূলত গত ২২ মে থেকে অত্র এলাকায় গন্ডগোল নতুন করে শুরু হয়। তবে এর শেষ কোথায় তা জানে না কেউই।প্রশাসন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিলে হয়তো আপন ঘরে ফিরতে পারবে শতাধিক মানুষ। তা নাহলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের কোন দূর্ঘটনা। হতে পারে রক্তপাত সংঘর্ষ এমনকি প্রাণনাশের মতও নির্মম ঘটনা। এ ব্যাপারে মোহাম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ তারক বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান একজন আহত হয়েছেন আহত ব্যক্তি বাদী হয়ে 7 জনের নামে মামলা করেছেন মামলা রযু হয়েছে এবং আসামীদেরকে ধরার চেষ্টা চলছে কোনভাবেই কোন গ্রামে কাউকে অশান্তির সৃষ্টি করতে দেয়া হবে না । নহাটা ইউনিয়ন আমাদের একটি পুলিশ ক্যাম্প আছে ক্যাম্পের আইসি কে বলা আছে উভয়পক্ষই প্রতিদিন হাজীরা দেবে এর মধ্যেও এমন ঘটনা ঘটে গেছে যা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য না অপরাধীর কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *