কেন ৪ বছর পরপর ফুটবল বিশ্বকাপ হয়?

খেলাধুলা

ক্রীড়া ডেস্ক :
লক্ষ্য করলে দেখা যাবে বিশ্বকাপ ফুটবল থেকে শুরু করে খেলাধুলার যে কোনো বৈশ্বিক আসরগুলো বসে চার বছর পর পর। এখন হয়তো অনেকের প্রশ্ন জাগতে পারে এ ধরনের বড় বড় আসরগুলোতে চার বছরই কেন ব্যবধান রাখা হয়? এটা কি দুই, তিন বা পাঁচ, সাত বছরের ব্যবধানে হতে পারতনা?
এর উত্তর পেতে হলে ফিরে যেতে হবে ঠিক দু’হাজার সাতশ’ চুরানব্বই বছর পেছনে। তখন গ্রিসে সবে অলিম্পিক গেমসের আসর বসা শুরু হয়। প্রতি চার বছর পর পর বসত এ আসর। যা চলে ৩৯৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
মাঝখানের চার বছর ছিল সময় মাপার একটি একক, যাকে বলা হতো অলিম্পিয়াড। বছর বলতে যেমন ৩৬৫ দিনকে বুঝায়, অলিম্পিয়াড বলতে দুটি অলিম্পিক গেমসের মাঝের চার বছর সময়।
ক্রীড়া বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপ ফুটবলের সময় মাথায় রাখা হয়েছিল অলিম্পিক গেমসের এই চার বছরের ঐতিহ্যকে। আরও বেশ কিছু সময়োপযোগী বাস্তবিক কারণ জড়িয়ে রয়েছে এই চার বছরের সঙ্গে। তার মধ্যে অন্যতম বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনকারী ম্যাচগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় সময় বের করা।
এছাড়াও মাথায় রাখা হয়েছিলো, অন্যান্য বড় প্রতিযোগিতার সঙ্গে যাতে বিশ্বকাপ ফুটবল একই সময়ে না পড়ে। বিশ্বকাপের মতো বড় মাপের প্রতিযোগিতার পরিকাঠামো তৈরিতেও পর্যাপ্ত সময় দরকার। সেজন্যও ন্যূনতম চার বছর সময় দরকার। সর্বোপরি এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বিপুল পরিমাণ অর্থের জোগানের বিষয়টিও। সেজন্যও অন্তত চার বছর সময় দরকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *