সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৪:৩১ অপরাহ্ন

Notice :
Welcome To Our Website...
সংবাদ শিরোনাম :
magura আ,লীগ প্রার্থী সাইফুজ্জামান শিখরের নৌকা প্রতিক গ্রহন ঐক্যফ্রন্ট ও জোটের ৬০ প্রার্থী জামায়াত-এলডিপিসহ ২০ দল ৪০ গণফোরাম ৭ জেএসডি ৫ নাগরিক ঐক্য ৫ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ৩ জাপার সঙ্গে আ.লীগের আসন জটিলতা কাটেনি মাগুরায় মুক্ত দিবসে বিজয় র‌্যালী উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিন -সাইফুজ্জামান শিখর মাগুরায় গ্রাম-পুলিশদের জন্য থানা চত্তরে বিশ্রামাগার নির্মান কোনো অপশক্তিই নৌকার গতি রোধ করতে পারবে না : আব্দুর রহমান মাশরাফি’র ভোট ক্যাম্পেইন করতে নাগরিক প্লাটফরম গঠনের উদ্যোগ এইচআইভি সম্পর্কে আপনার ভুল ধারণাগুলো শুধরে নিন যশোরে তৈরি ক্যারম বোর্ড যাচ্ছে সারা দেশে
গুহা থেকে বের হওয়ার অপেক্ষায় বাকিরা

গুহা থেকে বের হওয়ার অপেক্ষায় বাকিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
উত্তর থাইল্যান্ডের একটি গুহার ভেতর আটকে থাকা বাকি আট জন এবং তাদের কোচ এখন অপেক্ষায় আছে গুহার বাইরে বের হওয়ার জন্য। উচ্চ ঝুঁকিসম্পন্ন এই উদ্ধার অভিযান রাতভর স্থগিত করা হয়। খবর: বিবিসি বাংলা।
রোববার (৮ জুলাই) চারজনকে নিরাপদভাবে উদ্ধার করে আনা হয়। গুহার মধ্যে বন্যার পানি অব্যাহত প্রবাহ এবং এয়ার ট্যাং প্রতিস্থাপন করার জন্য উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়। সোমবার (৯ জুলাই) সকালে গুহার মুখে কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্টদের কর্মকাণ্ড দেখে মনে হচ্ছে উদ্ধার অভিযান আবারো শুরু করার জন্য তারা প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে কখন শুরু হবে এ ব্যাপারে কোনও নিশ্চিত খবর পাওয়া যায়নি।
গুহার মুখে সাতটা অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। রোববার বৃষ্টির গতি কিছুটা থামলে উদ্ধারকর্মীরা সেই সুযোগটা গ্রহণ করে। কিন্তু রাতের বেলা আবারও তুমুল বৃষ্টিপাত হয় এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলছে সামনের দিনগুলোতে আরও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
থাইল্যান্ডের গুহায় আটকে পড়া কিশোরদের যেভাবে বাইরে আনা হচ্ছে
গুহার যে জায়গায় এই ছেলেরা আটকে পড়েছে, সেখানে যাওয়া এবং সেখান থেকে আবার গুহামুখ পর্যন্ত ফিরে আসতে সবচেয়ে অভিজ্ঞ ডুবুরিরও প্রায় এগারো ঘণ্টা সময় লাগছে। এর মধ্যে কিছুটা পথ হাঁটতে হয়, কিছুটা পথ পানির ভেতর দিয়ে হেঁটে আগাতে হয়। অনেক চড়াই-উৎরাই আছে। আর অনেক জায়গা পানিতে ডুবে আছে।
সেখানে ডুব সাঁতার ছাড়া উপায় নেই। আর এই পুরো যাত্রাটাই ঘুটঘুটে অন্ধকারে। প্রত্যেক ছেলেকে পুরো মুখ ঢাকা অক্সিজেন মাস্ক পড়তে হচ্ছে। প্রতিজনের সামনে এবং পেছনে দুজন ডুবুরি থাকছে গাইড হিসেবে। এরা তাদের এয়ার সিলিন্ডারও বহন করছে।
সবচেয়ে কঠিন অংশটা মাঝামাঝি জায়গায়। এটিকে একটা টি-জাংশন বলে বর্ণনা করা হচ্ছে। এই জায়গাটা এতটাই সরু যে সেখানে ডুবুরিদের তাদের এয়ার ট্যাংক খুলে ফেলতে হচ্ছে।
এরপর ক্ষণিকের যাত্রাবিরতির জন্য গুহার মধ্যে একটা ক্যাম্প মতো করা হয়েছে। সেখান থেকে বাকীটা পথ পায়ে হেঁটে তাদের গুহামুখে আসতে হচ্ছে। বেরিয়ে আসার পর তাদের সরাসরি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে হাসপাতালে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




  • ডিজাইনঃবেসিক নিউস২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com