আমরা সত্য প্রকাশে আপোষহীন

আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতম।

দিয়া-রাজীবের মৃত্যু: আসামিরা আদালতে, রায় বিকেলে

1 min read

কুর্মিটোলায় বিমানবন্দর সড়কে জাবালে নূর পরিবহনের বাসচাপায় প্রাণ হারায় দুই শিক্ষার্থী। প্রথম আলো ফাইল ছবিবিমানবন্দর সড়কে বাসের চাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। সরকারি কৌঁসুলি তাপস কুমার পাল প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য আছে আজ রোববার। আদালত বেলা তিনটার দিকে রায় ঘোষণা করতে পারেন। মামলাটির বিচারকাজ চলছে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে।

ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মঈনুল ইসলাম প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, রায় ঘোষণার দিন থাকায় এ মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামিকে ইতিমধ্যেই কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে হাজির করা হয়েছে। তাঁরা এখন হাজতখানায় অবস্থান করছেন। ১৪ নভেম্বর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়। সেদিন বিচারক ইমরুল কায়েস রায় ঘোষণার জন্য রোববার দিন ধার্য করেছিলেন।

সরকারি কৌঁসুলি তাপস কুমার পাল জানান, এই মামলায় মোট ৪১ জন সাক্ষীর মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ ৩৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির করে। গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। এর মধ্যে তিনজন ঢাকার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

গত বছরের ২৯ জুলাই দুপুরে রাজধানীর হোটেল র‍্যাডিসনের বিপরীত পাশের জিল্লুর রহমান উড়ালসড়কের ঢালের সামনের রাস্তার ওপর জাবালে নূর পরিবহনের তিনটি বাস রেষারেষি করতে গিয়ে একটি বাস রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা লোকজনের ওপর উঠে পড়ে। এতে দুই শিক্ষার্থী নিহত ও ৯ জন আহত হয়। নিহত দুই শিক্ষার্থী হলো দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম রাজীব (১৭) ও একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম মিম (১৬)। এ ঘটনায় নিহত শিক্ষার্থী দিয়া খানমের বাবা জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন।

আদালত সূত্র বলছে, মামলার ৪১ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।

গত বছরের ৬ সেপ্টেম্বর জাবালে নূর বাসের মালিক শাহাদাত হোসেনসহ ছয়জনকে আসামি করে ঢাকার আদালতে দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় অভিযোগপত্র দেন ডিবির পরিদর্শক কাজী শরিফুল ইসলাম। ছয় আসামির বিরুদ্ধে গত ২৫ অক্টোবর অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

ছয় আসামি হলেন, জাবালে নূর পরিবহনের দুটি বাসের মালিক শাহাদাত হোসেন ও জাহাঙ্গীর আলম, দুই চালক মাসুম বিল্লাহ ও জুবায়ের সুমন এবং দুই চালকের দুই সহকারী এনায়েত হোসেন ও কাজী আসাদ। এঁদের মধ্যে আসাদ পলাতক। আর বাসমালিক সাহাদাত জামিনে আছেন।

সরকারি কৌঁসুলি তাপস কুমার পাল বলেন, অভিযোগ গঠনের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে যান জাবালে নূরের মালিক শাহাদাত হোসেন। তাঁর পক্ষে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ আসে। বাকি পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *