সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৫:১৪ অপরাহ্ন

Notice :
Welcome To Our Website...
সংবাদ শিরোনাম :
magura আ,লীগ প্রার্থী সাইফুজ্জামান শিখরের নৌকা প্রতিক গ্রহন ঐক্যফ্রন্ট ও জোটের ৬০ প্রার্থী জামায়াত-এলডিপিসহ ২০ দল ৪০ গণফোরাম ৭ জেএসডি ৫ নাগরিক ঐক্য ৫ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ৩ জাপার সঙ্গে আ.লীগের আসন জটিলতা কাটেনি মাগুরায় মুক্ত দিবসে বিজয় র‌্যালী উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিন -সাইফুজ্জামান শিখর মাগুরায় গ্রাম-পুলিশদের জন্য থানা চত্তরে বিশ্রামাগার নির্মান কোনো অপশক্তিই নৌকার গতি রোধ করতে পারবে না : আব্দুর রহমান মাশরাফি’র ভোট ক্যাম্পেইন করতে নাগরিক প্লাটফরম গঠনের উদ্যোগ এইচআইভি সম্পর্কে আপনার ভুল ধারণাগুলো শুধরে নিন যশোরে তৈরি ক্যারম বোর্ড যাচ্ছে সারা দেশে
ভারতীয় সুতা-কাপড় ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে ব্যবসা বাড়াতে চায়

ভারতীয় সুতা-কাপড় ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে ব্যবসা বাড়াতে চায়

অর্থকড়ি ডেস্ক :
বাংলাদেশের পোশাকশিল্প কারখানাগুলোর সুতা ও কাপড়ের বার্ষিক চাহিদার বড় একটি অংশের যোগান আসে প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে। এই সুতা-কাপড়ের বাজারকে আরও সম্প্রসারিত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন ভারতীয় সুতা-কাপড় ব্যবসায়ীরা। শনিবার বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সঙ্গে ভারতের সুতা এবং কাপড় ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধি দলের বৈঠকে একথা জানানো হয়।
বেশ কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশ তৈরি পোশাকশিল্পে ভারতের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। তবে পোশাক তৈরির কাঁচামাল, সুতা এবং কাপড় উৎপাদনে বাংলাদেশের থেকে অনেকটাই এগিয়ে ভারত। সুতা-কাপড় তৈরির বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এদেশে গড়ে উঠলেও চাহিদার তুলনায় সরবরাহ খুবই কম। অন্যদিকে ভারতের অবস্থা এর ঠিক বিপরীত। দেশটিতে কাঁচামাল উৎপাদনের পরিমান অভ্যন্তরীণ বাজারের চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি। ভারতের ব্যবসায়ীরা তাই বাংলাদেশে তাদের বাজার আরও সম্প্রসারিত করতে চান।
গতকালের বৈঠকে বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে ভারতের অনেক বড় বর্ডার। কিন্তু দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘটতি অনেক বিশাল।’
বিজিএমইএ সভাপতি জানান, গত বছর বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য ঘাটতির পরিমান ছিল ৫ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার। এই বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনার ব্যাপারেও জোর দেন তিনি।
সুতা এবং কাপড়সহ পোশাকশিল্পের গুরুত্বপূর্ণ উপকরণগুলোর প্রায় ৫০ শতাংশই ভারত থেকে আমদানি করে বাংলাদেশ। বিপরীতে ভারত এদেশ থেকে মাত্র ২৭৯ মিলিয়ন ডলারের পোশাক ক্রয় করে থাকে। এই রপ্তানির ক্ষেত্রেও নানারকম প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের। বেনাপোল-পেট্টাপোল বন্দরে শুল্ক সংক্রান্ত জটিলতা তো রয়েছেই, ভারতীয় বন্দরে বাংলাদেশি পণ্য পরীক্ষার সনদ নিয়েও বিভিন্ন সমস্যা তৈরি করে থাকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। এছাড়া ভারতীয় আমদানিকারকরা অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রেও গড়িমসি করে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিজিএমইএ ভবনে অনুষ্ঠিত গতকাল শনিবারের ওই বৈঠকে ভারতীয় প্রতিনিধি দলে ছিলেন দ্য কটন টেক্সটাইলস এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান উজ্জল লাহোটি এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনের হেড অব চ্যান্সেরি মিসেস শিতেন নর্ডন কার্গিয়াল। সভায় বিজিএমইএ নেতাদের মধ্যে সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, প্রথম সহসভাপতি মঈনউদ্দিন আহমেদ, সহসভাপতি মোহাম্মদ নাছির উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




  • ডিজাইনঃবেসিক নিউস২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com