সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৫:০৪ অপরাহ্ন

Notice :
Welcome To Our Website...
সংবাদ শিরোনাম :
magura আ,লীগ প্রার্থী সাইফুজ্জামান শিখরের নৌকা প্রতিক গ্রহন ঐক্যফ্রন্ট ও জোটের ৬০ প্রার্থী জামায়াত-এলডিপিসহ ২০ দল ৪০ গণফোরাম ৭ জেএসডি ৫ নাগরিক ঐক্য ৫ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ৩ জাপার সঙ্গে আ.লীগের আসন জটিলতা কাটেনি মাগুরায় মুক্ত দিবসে বিজয় র‌্যালী উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিন -সাইফুজ্জামান শিখর মাগুরায় গ্রাম-পুলিশদের জন্য থানা চত্তরে বিশ্রামাগার নির্মান কোনো অপশক্তিই নৌকার গতি রোধ করতে পারবে না : আব্দুর রহমান মাশরাফি’র ভোট ক্যাম্পেইন করতে নাগরিক প্লাটফরম গঠনের উদ্যোগ এইচআইভি সম্পর্কে আপনার ভুল ধারণাগুলো শুধরে নিন যশোরে তৈরি ক্যারম বোর্ড যাচ্ছে সারা দেশে
যশোরে তৈরি ক্যারম বোর্ড যাচ্ছে সারা দেশে

যশোরে তৈরি ক্যারম বোর্ড যাচ্ছে সারা দেশে

নিউজডেস্ক
পাড়া মহল্লা কিংবা গ্রাম্য হাটবাজারের মোড়ে একটি ক্যারম বোর্ড নেই এমন এলাকা খুঁজে পাওয়া মুশকিল। এলাকার কিশোর তরুণরা মিলে ক্যারম বোর্ড কিনে সেটিতে খেলছেন দিন রাত্রি। আবার কেউ কেউ দাঁড়িয়ে দেখছেন। এমন দৃশ্য প্রায় চোখে পড়ে। সেই ক্যারম বোর্ড তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন অনেকে। যশোরের খাজুরা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আটটি দোকানে তৈরি ক্যারম বোর্ড যাচ্ছে সারা দেশে। প্রতি সপ্তাহে শত শত ক্যারম বোর্ড দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠাচ্ছেন এখানকার কারিগররা। ক্যারম বোর্ড তৈরির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছেন যশোরের তৈরি ক্যারম বোর্ডের গুণগত মান ভালো হওয়ায় সারা দেশে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই কাজে জড়িত প্রায় একশ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। সরেজমিন দেখা যায়, শহরের খাজুরা বাসস্ট্যান্ড এলাকার পুরনো মানসী সিনেমা হলের পাশে সারি সারি দোকানে শ্রমিকদের কাজের ব্যস্ততা। কেউ কাঠ সাইজ করছেন, কেউ রঙ করছেন আবার কেউ বা পেরেক ঠুকছেন। এ এলাকায় ক্যারম বোর্ড তৈরির সূত্রপাত হয় প্রায় বিশ বছর আগে। ইকু মিয়া নামের এক ব্যক্তি প্রথম ক্যারম বোর্ড তৈরি শুরু করেন। তার অধীন সেই সময় যারা কর্মচারী হিসেবে কাজ করছেন, আজকে তাদের অধিকাংশ ক্যারম বোর্ড তৈরি দোকানের মালিক হয়েছেন। তাদেরই একজন পরি ক্যারম বোর্ডের স্বত্বাধিকারী মনির হোসেন বলেন, বর্তমানে এখানে আটজন মালিকের অধীনে ৮০-৮৫ জন শ্রমিক কাজ করছেন। তারা প্রতিদিন ১৭০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত মজুরি পান। প্রতি সপ্তাহে এখানকার দোকানদাররা শ শ ক্যারম বোর্ড দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করছেন। তিনি বলেন, আমি আট বছর আগে ক্যারম তৈরির ব্যবসা শুরু করি। বর্তমানে আমার দোকানে দশজন কর্মচারী রয়েছে। এখানে বেল ও বাবলা কাঠ দিয়ে বোর্ড তৈরি করা হয়। আমাদের তৈরি ক্যারম বোর্ডের গুণগত মান ভালো। ফলে কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, দিনাজপুর, টাঙ্গাইল, বরিশাল, গাইবান্ধাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ক্যারম বোর্ডের চাহিদা রয়েছে। প্রতি সপ্তাহে কুরিয়ারের মাধ্যমে পাইকারি বিক্রি করা হয়। প্রতি মাসে আমি পাঁচ লাখ টাকার ক্যারম বোর্ড বিক্রি করতে পারি। আরেক ব্যবসায়ী মোস্তাক আহমেদ বলেন, একটি ক্যারম বোর্ড তৈরি করতে কাঠ, প্লাইউড, রঙ, পেরেক, আঠা ইত্যাদি উপকরণ প্রয়োজন হয়। মানভেদে একটি ক্যারম বোর্ড তৈরি করতে আড়াই হাজার টাকা থেকে সাত হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। সীমিত লাভে এসব ক্যারম বোর্ড পাইকারি বিক্রি করা হয় দেশের বিভিন্ন স্থানে

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




  • ডিজাইনঃবেসিক নিউস২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com