রবিবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৮, ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন

সুবিধা পাবেন ২৫শ প্রান্তিক চাষী : মণিরামপুরের কৃষকদের ভাগ্য বদলে দেবে ভিলেজ মার্কেট

সুবিধা পাবেন ২৫শ প্রান্তিক চাষী : মণিরামপুরের কৃষকদের ভাগ্য বদলে দেবে ভিলেজ মার্কেট

 

নিউজ ডেস্ক :

মণিরামপুরে জলাবদ্ধ ভবদহ অঞ্চলে ৮ কোটি ৪২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে স্থাপিত হতে যাচ্ছে বিশেষ ভিলেজ মার্কেট। সেই লক্ষে উপজেলার নেহালপুর ইউনিয়নের পাঁচাকড়িতে প্রকল্প বাস্তবায়নে সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক এশিয়ার অর্থায়নে ১একর ৫৪ শতক জমি ক্রয় করে মার্কেটের নির্মাণ কাজ চলছে। মার্কেটের সার্বিক সহযোগিতায় থাকরে বেসরকারী সংস্থা জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন। চলতি বছরের মধ্যে প্রজেক্টের নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে জানালেন দায়িত্বরত প্রকৌশলী।

সরেজমিনে জানা যায়, এই ভিলেজ মার্কেট দ্বারা প্রান্তিক চাষীরা তাদের উৎপাদিত পণ্যর ন্যায্য মূল্য পাবেন। এই মার্কেটে অত্যাধুনিক প্রক্রিয়া জাতকরণ যন্ত্রের মাধ্যমে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য (সকল প্রকার সবজি, মাছ ও দুধ) সরাসরি ঢাকাসহ বড় বড় বাজার গুলোতে পাঠাতে পারবেন। এখানে কোন মধ্যস্বত্বভোগী থাকবে না। কৃষকরা তাদের কষ্টে ফলানো দ্রব্যাদির ন্যায্য মূল্য পাবেন। মার্কেটের আওতায় থাকবে ২৫শ চাষী যারা নিয়মিত তাদের উৎপাদিত মাছ ও সবজি বিক্রি করে তাদের সংসার চালানোসহ দেশের উন্নয়ন করতে পারবেন। মার্কেটে মাছের আড়ৎ থাকবে ১২টি, সবজি আড়ৎ ৮টি, ৫হজার লিটার দুধের ২টি চিলারসহ প্রতিদিন ১০ হাজার লিটার বরফ উৎপাদনের ব্যাবস্থা। এছাড়া মাছ একুয়া প্রসেসিং জোন, হর্টি প্রসেসিং রুম যার তাপমাত্রা থাকবে -১০ ডিগ্রী সেলসিয়াস।  চাষীদের উৎপাদিত মাছ ও সবজির ন্যায্য মূল্যের জন্য থাকবে ডিজিটাল চার্টার ফলে চাষীদের কোন দুর্ভোগ পোহাতে হবে না। সার্বক্ষনিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থার জন্য থাকবে ৩শ কিলো ওয়ার্ডের নিজস্ব সাব স্টেশন। ১২শ ফিটের ২টি ডিপটিউবয়েল, ৮০ ফিটের ১টি ব্রড ব্যান্ড ইন্টারনেট টাওয়ার যার সাথে সংযোগ থাকবে শুধু ঢাকা ও নেদারল্যান্ডের। পর্যাপ্ত নিরাপত্তার জন্য থাকবে গার্ডের ব্যবস্থা। কারো কোন আপত্তি আছে কিনা সেটাও প্রশাসনের পক্ষ থেকে যাচাই করা হয়েছে। একপ্রকার মার্কেট স্থাপনের খবরে স্থানীয় কৃষকরা দারুন খুশী । এলাকার চাষী হাফিজুর রহমান জানান, এ মাকের্টে আমাদের উৎপাদিত মাছ ও সবজি দেশ-বিদেশে যাবে। তাছাড়া আমাদের পন্য বিক্রি করে দেশের উন্নয়নে শরীক হতে পারবো। প্রজেক্ট বাস্তবায়নে দায়িত্বরত প্রকৌশলী অনিরুদ্ধ কুমার সরকার জানান, চলতি বছরের মধ্যে প্রজেক্টের নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে আমরা আশা করছি। স্থানীয় চেয়ারম্যান নজমুস সাদাত জানান, মার্কেটি নির্মাণ হলে এলাকার চাষীরা তাদের কষ্টে ফলানো দ্রব্যাদির ন্যায্য মূল্য পাবেন। স্থানীয় চাষীদেরসহ সর্বস্তরের জনগনের সাথে কথা বলেছি। তারা এই বাজারটি পেয়ে দারুন খুশি।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




  • ডিজাইনঃবেসিক নিউস২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com