ওয়াশিক বিন তালহা মাগুরা থেকেঃ- মাগুরার জেলা প্রশাসক জনাব মোতাকাব্বীর আহমেদ ১৪.০৬.২৬ তারিখে রাত ১২ টার দিকে পেটে ব্যাথা নিয়ে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ১৫ জুন দুপুর বারোটার সময় মাগুরার সিনিয়র চিকিৎসকবৃন্দ উন্নত চিকিৎসা সুবিধার প্রয়োজনীয়তার কথা জানান। তারা প্রাথমিকভাবে ধারণা করেন যে, যেকোন সফট টিস্যু বা পারফোরেশনের কারনে ইনটেসটাইনের অবস্ট্রাকশন হয়ে আছে এবং বাওয়েল সিক্রেশন হচ্ছে, ফলে পেট শক্ত হয়ে ফুলে যাচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সানুগ্রহ, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বিভাগীয় কমিশনার, খুলনা এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে তাকে ঢাকায় এভারকেয়ার হাসপাতেলে নিয়ে আসা হয়। এভারকেয়ারের ইমার্জেন্সি ডাক্তাররা জানিয়েছেন, তার গলব্লাডার এবং ফুসফুসে ইনফেকশন আছে। তাছাড়া কোন একটা ফুডের কারণে ইন্টেস্টাইন অবস্ট্রাকশন হয়ে আছে। সকলের দোয়ায় এবং এভারকেয়ারের আইসিইউতে চার দিনের চিকিৎসার পর তিনি কিছুটা সুস্থ হয়েছেন। তিনটি সমস্যার কোনটাই আগে থেকে বুঝতে পারার মতো খুব বেশি সিম্পটোম্যাটিক নয়। এখন তিনি স্বাভাবিক কথা বলা শুরু করেছেন এবং সমস্যা গুলো কমে এসেছে, তবে এখনো তিনি আইসিইউতে আছেন। চিকিৎসকগণ দু-এক দিনের মধ্যেই তাকে কেবিনে দেয়ার কথা ভাবছেন।
সকলেই সার্বক্ষণিক জেলা প্রশাসক মহোদয়ের জন্য মসজিদ/মন্দিরে প্রার্থনা করেছেন। বিশেষ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রী জনাব সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা জনাব মো: ইসমাইল জবিউল্লাহ, জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ জনাব রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মাননীয় এমপি জনাব মো: আব্দুল আজিজ (নাটোর-৪), মাননীয় এমপি জনাব মো. মনোয়ার হোসেন (মাগুরা-১), সংরক্ষিত মহিলা ৩৭ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ড. নিলোফার চৌধুরী মনি, মাননীয় মন্ত্রীপরিষদ সচিব জনাব নাসিমুল গনি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, সাবেক স্বাস্থ্য সচিব মো: সাইদুর রহমান, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব জনাব শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত সচিব জনাব মো: ওবায়দুর রহমান, মাননীয় অতিরিক্ত সচিব (এপিডি) জনাব মো: আকনুর রহমান, বিভাগীয় কমিশনার, খুলনা মো: আব্দুল্লাহ হারুন, মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান, জেলা প্রশাসক ঢাকা মিজ ফরিদা খানম, জেলা প্রশাসক যশোরসহ সকল জেলা প্রশাসক , বিসিএস ২৫ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাবৃন্দ, মাগুরা মেডিকেল কলেজের সম্মানিত অধ্যক্ষ, মাগুরার সম্মানিত সিভিল সার্জন, মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সম্মানিত তত্বাবধায়ক, সকল সিনিয়র ও জুনিয়র সহকর্মীবৃন্দসহ অনেকেই বিভিন্নভাবে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন এবং শুভাশিস দিয়েছেন।
তাছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সানুগ্রহে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ ও বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সহযোগিতায় বিশেষ হেলিকপ্টারে করে জেলা প্রশাসক মহোদয়কে দ্রুততম সময়ে উন্নত চিকিৎসা প্রদান করা সম্ভব হয়েছে। সকলের প্রতি জেলা প্রশাসক মহোদয় কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন।