মাগুরা প্রতিনিধি
মাগুরার ডায়াবেটিক সমিতি ( ডাঃ লুৎফর রহমান ডায়াবেটিক হাসপাতাল) পরিচালনা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে চলছে রাজনৈতিক খেলা বন্দে মাহতারাম । ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনা আমলের মতই এই প্রতিষ্ঠানটিকে দলীয় করণের প্রচেষ্টা চলছে।যে কারণে রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ডাঃ মাসুদুল হককে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর চাপ দেওয়া হয়েছে। খোঁজখবর জানাগেছে, বিগত ফ্যাসিবাদ সরকার আমলে এই হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠিত হয়। নির্মাণকালে স্থানীয় আঃলীগের এমপি সাইফুজ্জামান শিখর নগ্ন হস্তক্ষেপ করেন। তিনি তারা মামা নজরুল ইসলাম টগরকে সাধারণ সম্পাদক পদে বসান এবং তার বোন কামরুল লায়লা জলিকে প্রধান পদে বসিয়ে হাসপাতালের কর্মচারী নিয়োগে সীমাহীন দলীয় করণ করেন। বন্দে মাহতারাম এছাড়া ৪০ জন কর্মচারী নিয়ে মশা মারতে কামান দাগানোর মত সীমাহীন হাসপাতালের মেশিনারিজ, ফার্নিচার ও কম্পিউটার ক্রয়ে সীমাহীন দুর্নীতি করেন।এ সময় বিএনপি নেতা মোঃ আলী তারিক সহ সাধারণ সম্পাদক পদে অধিষ্ঠিত থেকে হালুয়া রুটির ভাগ গ্রহন করেন।সেই সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলী তারিক ৫ ই আগষ্ট পরবর্তী সময়ে নজরুল ইসলাম টগর ও কামরুল লায়লা জলি মাগুরা থেকে পালিয়ে গেলে হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পদে আসীন হন।কিন্তু তিনি হাসপাতাল থেকে আওয়ামী লীগের ( ছাত্র লীগ,যুবলীগ এর) একটি কর্মচারীকেও অপসারণ করতে পারেন নি। বরং তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। তিনি বিগত আওয়ামী লীগ আমলে মাগুরা -১ আসনের এমপি সাইফুজ্জামান শিখরের বাসায় ঘনঘন যাতাওয়াত করতেন। নিতেন আওয়ামী সুযোগ সুবিধা। সেই আওয়ামী সুবিধাভোগী মোঃ আলী তারিক এখন বড় বিএনপি নেতা সেজে স্থানীয় এমপিকে ম্যানেজ করে ডায়াবেটিক সমিতি তথা ডাঃ লুৎফর রহমান ডায়াবেটিক হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পদটি চিরস্থায়ীভাবে দখলের পাঁয়তারা চালাচ্ছেন বলে অনেক ভোটাররা মন্তব্য করেছেন।সুবিধাবাদী মোঃ আলী তারিক যদি আবার মাগুরা ডায়াবেটিক সমিতি তথা ডাঃ লুৎফর রহমান ডায়াবেটিক হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পদে অধিষ্ঠিত হন তবে হাসপাতালটি সমস্ত প্রকার উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন মাগুরার সুশীল সমাজ ও সচেতন মহল বেসরকারী একটি স্বাস্থ্য সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক কালোথাবারও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তারা।