• Sun. Apr 21st, 2024

Basic News24.com

আমরা সত্য প্রকাশে আপোষহীন

মাগুরা শ্রীপুর উপজেলার রাধানগর বাজারে রাতের আধারে সরকারি জায়গায় অবৈধ টিনের ঘর নির্মাণ

Bybasicnews

Nov 7, 2022

  ফারুক আহমেদ, : মাগুরা শ্রীপুর উপজেলার ৬ নং কাদিরপাড়া ইউনিয়নের রাধানগর বাজারের গোশত পর্টি স্থানের নদী সংলগ্ন জায়গায় (হানু নদীর) তীরবর্তী স্থানে অবৈধ টিনের ঘর নির্মাণ করা হয়। রবিবার ৬ নভেম্বর দুপুর ১২ টার সময় শ্রীপুর কাদিরপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা খান আজমারুল হক জানান, গত ২৫/১০/২২ তারিখে সরকারি খাস জায়গায় টিনের ঘর ভাঙ্গার জন্য  সরকারি নোটিশ দেওয়া হয়। তিনি নোটিশ পড়ে বলেন, মোঃ ইজারুল মোল্যা, পিং- মৃত একেব্বর মোল্যা, সাং- সব্দালপুর, থানা- শ্রীপুর, জেলা- মাগুরা, রাধানগর বাজারের নদী সংলগ্ন জায়গায় (হানু নদী) সীত্রাং ঘূর্ণিঝড়ের রাত্রে কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে রাতের আধারে একখানা টিনের ঘর নির্মাণ করা হয়। যাহা সম্পূর্ণ বেআইনি কর্মকান্ড। ঘর নির্মাণের এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে সরেজমিনে জানা যায় এই স্থানে কাদিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ২ নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার শাহিদুল দীর্ঘ ২৫ বছর যাবৎ হানু নদীর পরিতাক্ত্য জায়গায় মাটি ভরাট করে তার রাজমিস্ত্রীর কাজে সেন্টারিং এর বাঁশ, কাঠ রাখতেন। এ বিষয়ে সাবেক মেম্বার সদস্য শাহিদুল ইসলাম বলেন, আমি বাড়িতে ১ শতক জায়গায় বসবাস করি, আমার বাড়িতে জায়গা না থাকায় রাধানগর বাজারে সরকারি পরিত্যক্ত জায়গায় নদীর পাশে দীর্ঘ দিন ধরে বাঁশ ও কাঠের তক্তা রাখতাম। এই নিয়ে অনুমান বছর দুয়েক পূর্বে শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার  ইয়াছিন কবীর ও সহকারী ভূমি কমিশনার হাসিনা মমতাজ রাধানগর বাজারে এসে বাজার কমিটির সম্বন্বয়ের সাথে মৌখিক ভাবে আলোচনা করে সাবেক মেম্বার ও রাজমিস্ত্রী শাহিদুল কে বাঁশ ও কাঠের সেন্টারিং তক্তা রাখার অনুমতি দেন। রাজমিস্ত্রী শাহিদুল কান্না জড়িত হৃদয় ভারাক্রান্ত কন্ঠে দৈনিক সমাজের কথা কে জানান, বছর পূর্বে আমার একমাত্র ছেলেটা ট্রেন দূর্ঘটনায় মারা যায়, আমি খুবই গরীব মানুষ। সারাজীবন সৎ জীবন যাপন করে মেম্বার হয়েও ১ শতক জায়গায় বসবাস করি এবং সেই সাথে কোন রকম রাজমিস্ত্রীর সেন্টারিং কাজের বাঁশ ও তক্তা ভাড়া দিয়ে থাকি এবং নিজেও কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতাম। হঠাৎ করে আলম মোল্লার নেতৃত্বে নায়েব ও ইজারুল মোল্যা রাতের আধারে দূর্যোগপূর্ণ নিশী রাতে আমার (কাঠ ও বাঁশ) মালামাল উধাও করে দিয়ে টিনের ঘর তোলে। যাহার মালামালের ক্ষতির পরিমাণ প্রায় অনুমান ২ লাখ টাকা। এ বিষয়ে নায়েব কাদিরপাড়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ও এসিল্যান্ড কে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করি। আজ রবিবার সন্ধ্যার পর শ্রীপুর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু সঙ্গীয় নিরাপত্তা ফোর্স বাহিনী ও সাথে কাদিরপাড়া ইউনিয়নের নায়েব কে সাথে নিয়ে ঐ অবৈধ ঘরটি স্থানীয় আলম মোল্লার বেকারীর কর্মচারীদের সহায়তায় টিনের বৈদ্যুতিক তার সরিয়ে দরজা ও পূর্ব টিনের বেড়ার অংশ ভেঙ্গে মাটিতে (ভূমি) তে ফেলে দেয়। এ সময়ে ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার বলেন, আগামীকাল সোমবার অবৈধ টিনের ঘর না সরালে এটা সরকারি নিয়মে নিলামে বিক্রি করার ব্যবস্থা করা হবে। এ সময়ে বেকারির মালিক আলম মোল্লা ও টিনের ঘরের মালিক ইজারুল কে প্রশাসন খোঁজ খবরের চেষ্টা করলে তাদের তথ্য বাজারের কেউ বলতে পারে নাই। পর্ব-১

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *