মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মাগুরায় আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষ্যে অপতথ্য রোধে তথ্য অধিকারের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শালিখায় অস্থিতিশীলতার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল জিন সাপ’ আতঙ্ক শালিখায়: গ্রাম রক্ষায় গাছের চূড়ায় লাল পতাকা টাঙিয়ে ‘গ্রাম বন্ধ’ কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ কক্সবাজার পৌরসভা ও ইউনিয়ন এলাকায় চোর/ছিনতাইকারী গ্রেফতার করার লক্ষ্যে অভিযান পরিচালনা করিয়া সর্ব মোট ১৭ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়। মাগুরায় কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ: আড়পাড়ার জোড়া জয়, ফাইনাল সম্পন্ন মাগুরায় কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ: আড়পাড়ার জোড়া জয়, ফাইনাল সম্পন্ন শালিখায় জমকালো আয়োজনে ‘১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’ উদ্বোধ​ন মাগুরায় বহুল আলোচিত মডেল প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১৪৪ ভঙ্গের অভিযোগ  মাগুরায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড বিজনেস ওয়েলফেয়ার এর ব্যবসা উন্নয়ন শীর্ষক কর্মশালা শালিখায় ছাত্র-ছাত্রীদের স্থায়ী খেলার মাঠের দাবিতে মানববন্ধন

মাগুরাতে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেনের মানবেতর জীবন: পুনঃতদন্তের দাবি

Reporter Name

মাগুরাতে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেনের মানবেতর জীবন: পুনঃতদন্তের দাব

​নওয়াব আলী, মাগুরা: মাগুরার বেরোইল পলিতা গ্রামের বাসিন্দা ও ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ দাউদ হোসেন এক ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ মামলায় জড়িয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি পেতে এবং প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে তিনি মামলাটির পুনরায় নিরপেক্ষ ও গভীর তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

​মাগুরা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও আমলী আদালতে দায়েরকৃত সিআর ৬৮/২৫ নম্বর মামলায় তাকে ২ নম্বর আসামি করা হয়েছে। মামলার বাদী ডহরসিংড়া গ্রামের ইব্রাহীম খান প্রায় ২০ লক্ষ টাকা পাওনার দাবিতে এই মামলাটি করেন। এতে দাউদ হোসেনের বড় ছেলে মুজাহিদুল ইসলাম শিপনকে ১ নম্বর আসামিসহ তার অন্য দুই ছেলেকেও আসামি করা হয়েছে।

​মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে আসামিরা বাদীর বাড়িতে গিয়ে দাউদ হোসেনের হাতে নগদ ৪ লাখ ৪৬ হাজার টাকা তুলে দেন। পরবর্তীতে আরও কয়েক লক্ষ টাকা লেনদেনের কথা উল্লেখ রয়েছে।

​এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট দাবি করে বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন বলেন:

​”আমার বড় ছেলে শিপন প্রায় ৩০ বছর ধরে ঘরছাড়া। তার সাথে আমার কোনো যোগাযোগ নেই। এমনকি পারিবারিক কলহের জেরে আমি পৈত্রিক বাড়ি ছেড়ে বর্তমানে ছোট স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়া বাড়িতে অতি কষ্টে বসবাস করছি। আমার অন্য দুই ছেলে রানা ও রনি পৈত্রিক বাড়িতে থাকলেও তাদের সাথেও আমার কোনো সম্পর্ক নেই।”

​তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন যে, যে ছেলে ৩০ বছর বাড়িতে আসে না, তার সামনে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে টাকা লেনদেনের দাবি কীভাবে সত্য হতে পারে? মূলত তাকে ও তার পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এই ভিত্তিহীন মামলা করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

​আকুল আবেদন: একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে জীবনের শেষ সময়ে এসে এমন আইনি হয়রানি থেকে বাঁচতে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট মামলাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পুনঃতদন্তের আকুল আবেদন জানিয়েছেন। তিনি আশাবাদী, সঠিক তদন্ত হলে তার নির্দোষ হওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হবে।

নওয়াব আলী

মাগুরা।২১/০৪/২০২৬

1715368857



Basic News24