শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মাগুরা কাটাখালী মাধ্যমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষকের পেশাগত সনদপত্রে স্মারক নম্বর ছাড়াই নিয়োগের অভিযোগ দাখিলে শতভাগ পাস ও ৪ জনের জিপিএ-৫: শালিখায় সেরা সাফল্যের শীর্ষে ইসলামীয়া আইডিয়াল একাডেমি শালিখায় ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দের সাথে যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব নয়নুজ্জামান মুন্সীর মতবিনিময় সভা। শালিখা গঙ্গারামপুরে জলাবদ্ধ রাস্তা পরিদর্শনে কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়ন: দ্রুত পাকাকরণের আশ্বাস ​ মাগুরায় বিএনপি নেতা পুলিশের গাড়ি থেকে হত্যা মামলার আসামি ছিনতাইয়ের অভিযোগ সাংবাদিক হারুনকে ঢাকা জেলা প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হল বিশ্ব বাঘ দিবস উপলক্ষে বুড়িগোয়ালিনীতে লির্ডাসের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, উদ্যোগে উদ্ধারকৃত আইফোন সহ ৩৫টি মোবাইল ফোন ও বিকাশ প্রতারণার ৫০,০০০/- হস্তান্তর  মাগুরা জেলা পুলিশ সুপারের উদ্যোগে ফরিদপুর জেলার কামারখালী টোল প্লাজা এলাকা থেকে নিখোঁজ শিশু আয়েশা নূর উদ্ধার মাগুরায় উন্নত জাতের গাভী পালনে সমবায়ের আবর্তক ঋণ বিতরণ অনুষ্ঠান

মাগুরাতে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেনের মানবেতর জীবন: পুনঃতদন্তের দাবি

Reporter Name

মাগুরাতে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেনের মানবেতর জীবন: পুনঃতদন্তের দাব

​নওয়াব আলী, মাগুরা: মাগুরার বেরোইল পলিতা গ্রামের বাসিন্দা ও ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ দাউদ হোসেন এক ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ মামলায় জড়িয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি পেতে এবং প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে তিনি মামলাটির পুনরায় নিরপেক্ষ ও গভীর তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

​মাগুরা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও আমলী আদালতে দায়েরকৃত সিআর ৬৮/২৫ নম্বর মামলায় তাকে ২ নম্বর আসামি করা হয়েছে। মামলার বাদী ডহরসিংড়া গ্রামের ইব্রাহীম খান প্রায় ২০ লক্ষ টাকা পাওনার দাবিতে এই মামলাটি করেন। এতে দাউদ হোসেনের বড় ছেলে মুজাহিদুল ইসলাম শিপনকে ১ নম্বর আসামিসহ তার অন্য দুই ছেলেকেও আসামি করা হয়েছে।

​মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে আসামিরা বাদীর বাড়িতে গিয়ে দাউদ হোসেনের হাতে নগদ ৪ লাখ ৪৬ হাজার টাকা তুলে দেন। পরবর্তীতে আরও কয়েক লক্ষ টাকা লেনদেনের কথা উল্লেখ রয়েছে।

​এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট দাবি করে বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন বলেন:

​”আমার বড় ছেলে শিপন প্রায় ৩০ বছর ধরে ঘরছাড়া। তার সাথে আমার কোনো যোগাযোগ নেই। এমনকি পারিবারিক কলহের জেরে আমি পৈত্রিক বাড়ি ছেড়ে বর্তমানে ছোট স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়া বাড়িতে অতি কষ্টে বসবাস করছি। আমার অন্য দুই ছেলে রানা ও রনি পৈত্রিক বাড়িতে থাকলেও তাদের সাথেও আমার কোনো সম্পর্ক নেই।”

​তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন যে, যে ছেলে ৩০ বছর বাড়িতে আসে না, তার সামনে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে টাকা লেনদেনের দাবি কীভাবে সত্য হতে পারে? মূলত তাকে ও তার পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এই ভিত্তিহীন মামলা করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

​আকুল আবেদন: একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে জীবনের শেষ সময়ে এসে এমন আইনি হয়রানি থেকে বাঁচতে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট মামলাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পুনঃতদন্তের আকুল আবেদন জানিয়েছেন। তিনি আশাবাদী, সঠিক তদন্ত হলে তার নির্দোষ হওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হবে।

নওয়াব আলী

মাগুরা।২১/০৪/২০২৬

1715368857



Basic News24