আকরাম হোসেন, মাগুরা।
দীর্ঘদিনের ত্যাগ,আন্দোলন-সংগ্রাম, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং মানুষের পাশে থাকার মধ্য দিয়ে কিছু মানুষ নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেন। মাগুরার রাজনৈতিক অঙ্গনে তেমনই একটি পরিচিত নাম আলহাজ্ব মো.মাসুদ হাসান খাঁন কিজিল। প্রায় চার দশকের রাজনৈতিক পথচলায় তিনি শুধু একটি দলের নেতা হিসেবেই নয়,বরং একজন সংগঠক, জন নেতা ও মানবিক ব্যক্তিত্ব হিসেবেও নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছেন।আসন্ন মাগুরা পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নিয়ে যখন রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তুঙ্গে,তখন সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত নামগুলোর মধ্যে অন্যতম মাসুদ হাসান খাঁন কিজিল। তৃণমূল নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশের বিশ্বাস,দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা,সাংগঠনিক সক্ষমতা এবং জনসম্পৃক্ততার কারণে তিনি মেয়র পদে একজন শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী।রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে উজ্জ্বল দিকগুলোর একটি হলো দুঃসময়ে দলের পাশে অবিচল থাকা। বিগত সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে ১৬টির অধিকরাজনৈতিক মামলা দায়ের করা হয়। গ্রেপ্তার, হয়রানি ও কারাবরণ সত্ত্বেও তিনি কখনো দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেননি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন স্থানে মাগুরার ১০ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় ৫ আগস্ট ভায়না মোড়ে অনুষ্ঠিত গায়েবি জানাজায় ইমামতি করেন তিনি। পরবর্তীতে নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ান, আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন এবং মরদেহ দাফনের ব্যবস্থায় ভূমিকা রাখেন। আন্দোলনের সেই সময়টিতে তিনি জুলাইয়ের সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেন। এছাড়াও অসহায় মানুষের চিকিৎসা সহায়তা, দরিদ্র পরিবারের জন্য ঘর নির্মাণে ঢেউটিন প্রদান,শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ,ত্যাগী বিএনপি নেতাকর্মীদের আইনি সহায়তা,বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।সামাজিক ত্ব।আসন্ন মাগুরা পৌরসভা নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে,তাকে ঘিরে আলোচনা ও প্রত্যাশাও তত বাড়ছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে,তৃণমূলের আস্থা,দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের কারণে তিনি ইতোমধ্যেই পৌর নির্বাচনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন।